ইউটিউব ডাউনলোডার এইচডি ৩.৫.২ পোর্টেবল । Youtube Downloader HD 3.5.2 Portable

আসসালামু আলাইকুম।  কেমন আছেন বন্ধুরা?  আশা করি ভালই আছেন। আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ইউটিউব ডাউনলোডার এইচডি পোর্টেবল। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ইউটিউব ব্যবহার করেনা এরকম মানুষ খুব কমই আছে।  ধরুন আপনি ইউটিউব ব্যবহার করছেন আপনার একটা ভিডিও ভাল লাগছে,  স্থায়ীভাবে সংগ্রহ করার কোনো মাধ্যম খুঁজে পাচ্ছেন না।  ঠিক সেই সময়ে কাজে লাগাতে পারেন ইউটিউব ডাউনলোডার এইচডি পোর্টেবল সফটওয়্যারটি। ইউটিউব ডাউনলোডার এচডি  সফটওয়্যারটি দেখতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন,  এডওয়্যারের ঝামেলা নেই। খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়।  ইউটিউব থেকে লিংক কপি করুন,  পেস্ট করুন,  পছন্দমত কোয়ালিটি নির্বাচন করুন  এবং ডাউনলোড বাটন টিপে দিন।  আপনার কাজ শেষ।  এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও টি ডাউনলোড করতে থাকবে। আপনাকে নেটওয়ার্ক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান যদি ইউটিউব সার্ভারের ক্যাশ করে থাকে, তবে খুব দ্রুতই ভিডিওটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে আপনি আপনার পছন্দসই ইউটিউব ভিডিও কে এফএলভি, এভিআই অথবা এমপি৪ হিসাবে সেভ করতে পারবেন। এটি একটি ফ্রিওয়্যার, তাই ক্র্যাক-প্যাচে এর প্রয়োজন নেই। নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই।

 

সফটওয়্যার সংক্রান্ত তথ্যঃ

ওয়েবসাইটঃ youtubedownloaderhd

প্যাকেজের আকারঃ ২৬.৬ এমবি

প্যাকেজ ফরমেটঃ জিপ

নিরাপত্তা চাবিঃ portablesoftwarebd.com

Adobe Illustrator CC 2017 Portable । এডোব ইলাস্ট্রেটর সিসি ২০১৭ পোর্টেবল

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করি ভালই আছেন। আজকে আমরা যে সফটওয়্যারটি নিয়ে আলোচনা করব তার নাম ইলাস্ট্রেটর। এডোব কোম্পানি তাদের এই যুগান্তকারী সফটওয়্যারটি মার্কেটে ১৯৮৬ সালে লোগো ডিজাইন করার জন্য। যাকে আমরা আজকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই চিনি ভেক্টর গ্রাফিক্স এর জন্য। ইলাস্ট্রেটর দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি এর আছে নজর কাজ নজরকাড়া ফিচার। এই সফটওয়্যার টি ব্যবহার করে করা যায় লোগো ডিজাইন থেকে শুরু করে ভেক্টর গ্রাফিক্স এর প্রায় সব ধরনের কাজ। আমরা সবাই ইলাস্ট্রেটর-এর সাথে কম বেশ পরিচিত। 

সফটওয়্যার সংক্রান্ত তথ্যঃ

  • সংস্করণঃ  সিসি ২০১৭
  • পেকেজের আকারঃ ৬৭৩ এমবি
  • আপলোড হোস্টঃ dropakp.to
  • নিরাপত্তা চাবিঃ portablesoftwarebd.com

 

IPTV Checker 2.5 Portable । আইপিটিভি চেকার ২.৫ পোর্টেবল

আইপিটিভি চেকার একটি পোর্টেবল সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার কাছে থাকা আইপিটিভি লিংক সম্পর্কে জানতে পারে। ইন্টারনেটে যেসব আইপিটিভি লিংক দেখতে পাওয়া যায়, তার অধিকাংশই কয়েক দিন পরে নষ্ট হয়ে যায়। তাই লিংকগুলো সচল আছে কিনা জানা থাকা দরকার। একটা একটা করে লিংক চেক বা যাচাই করা সময়সাপেক্ষ এবং বিরক্তিকর। এক্ষেত্রে আইপিটিভি চেকার ব্যবহারকারীর সময়ের অপব্যয় এবং বিরক্তি থেকে মুক্তি দেবে। 

আইপিটিভি চেকার-এর সুবিধাঃ

১। সময় বাচায়।

২। বিরক্তি আসে না। 

৩। দক্ষ লোকের প্রয়োজন নেই।

৪। চ্যানেল প্লে করে দেখাতে পারে (প্লেয়ার হিসেবে ভিএলসি অথবা পট প্লেয়ার কে দেখিয়ে দিন)

সফটওয়্যার সংক্রান্ত তথ্যঃ

সংস্করণঃ ২.৫

পেকেজের আকারঃ ২.৮৪ এমবি

আপলোড হোস্টঃ dropakp.to

নিরাপত্তা চাবিঃ portablesoftwarebd.com

বিদ্রঃ নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করবেন। অপব্যবহারের দায়ভার পোর্টেবলসফটওয়্যার কর্তিপক্ষের নহে।

PDF Shaper Premium v10.7 Portable । পিডিএফ  শেপার প্রিমিয়াম ১০.৭ পোর্টেবল

PDF Shaper

পিডিএফ  শেপার প্রিমিয়াম এটি একটি শক্তিশালী এবং ব্যবহৃত পিডিএফ এডিটিং টুল। এর মাধ্যমে পিডিএফ এর এডিট থেকে শুরু করে পিডিএফ এর  তথ্য পরিবর্তন  করা যায়। 

এই টুলটি ব্যবহার করে যে কেউ অনায়াসে কোন পিডিএফ এডিট করতে পারে। এখানে আপনি পিডিএফ থেকে যে কোন ফরম্যাটে কনভার্ট করতে পারবেন। কোন পিডিএফ থেকে ছবি নিয়ে অথবা টেক্সট নিয়ে পরবর্তীতে নতুন কোন পিডিএফ তৈরি করা যাবে। 

পিডিএফ সেবার প্রিমিয়াম ব্যাচ ফাইল প্রসেসিং  সাপোর্ট করে। এছাড়া একসাথে অনেক ফাইল কনভার্ট করা যায়। এই স্মার্ট অ্যাপ্লিকেশনটি ওসিআর সাপোর্ট করে।  ওসিআর ব্যবহার করে যেকোনো স্ক্যান ডকুমেন্টকে টেক্সট আকারে পাওয়া যায়। 

পিডিএফ শেফার প্রিমিয়াম এর বৈশিষ্ট্যঃ

    • পিডিএফ শেফার প্রিমিয়াম এর অজানা সংখ্যক ফিচার রয়েছে।  যার মধ্যে পিডিএফ এর এডিটিং,  পিডিএফ কনভার্টিং এবং পিডিএফ এর তথ্যাদির পরিবর্তন-পরিমার্জন করা যায়।
    • এটির ব্যবহারের যেকোনো ধরনের পিডিএফ ফাইল নিয়ে কাজ করা যায়।
    • পিডিএফ নিরাপত্তার জন্য  পিডিএফকে এনক্রিপ্ট করা যায়। 
    • এছাড়া পিডিএফ শেপার প্রিমিয়াম ব্যবহার করে একটি পিডিএফ কে যতখুশি সংখ্যক ছোট সংখ্যায় ভাগ করা যায়। ( পিডিএফ এর পেজ সংখ্যা অনুযায়ী)
    • এর মাধ্যমে নোট কমেন্ট অথবা ওয়াটারমার্ক ব্যবহার করা যায়। এছাড়া ডিজিটাল সিগনেচার ব্যবহার করে পিডিএফকে সুরক্ষিত করা যায় 
    • এই টুল ব্যাবহার করে যে কেউ তার পছন্দমতো প্যারাগ্রাফ নির্বাচন করতে পারে। অথবা কোনো তথ্য মুছে ফেলতে পারে। 
    • পুরো পিডিএফটি কি প্রসেস করা  হবে বা কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক পেইজ নিয়ে কাজ করা  হবে তা নির্ধারণ করা যায় ।

আপলোড টাইপঃ জিপ ফাইল

আপলোড হোস্টঃ ড্রপএপিকে

আপলোড সাইজঃ ১৪ এমবি


পরিশেষে ভিউয়ারদের জন্য শুভকামনা। আল্লাহাফেজ।

Movavi Video Editor Plus 21.0.0 Portable । মুভ-আভি ভিডিও এডিটর প্লাস ২১.০.০ পোর্টেবল

মুভ-আভি ভিডিও এডিটর একটি শক্তিশালী ভিডিও এডিটর। এটি একটি উইনডোজ সফটওয়্যার। এটি শক্তিশালী হলেও এর ব্যবহার খুবই সহজ। এর ব্যবহারে ভিডিওর গুনগতমানের কোনো পরিবর্তন করা ছাড়াই ভিডিও আলাদা করা যায়। এই আলাদা অংশকে আবার জোড়া লাগানো যায়। এর মাধ্যমে ভিডিওতে অডিও ফাইল যোগ করা যায়। এছাড়া ভিডিওর টাইটেল পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ফিল্টার ও ইফেক্ট যোগ করা যায়। এসব ফিল্টার ও ইফেক্ট ভিডিওর প্রঞ্জলতা বাড়াতে সাহায্য করে। এমন আরো অসংখ্য ফিচারের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে মুভ-আভি ভিডিও এডিটর।

এক নজরে কিছু ফিচার:

  • ক্যামেরা থেকে ভিডিও অথবা ছবির রেকর্ড কম্পিউটারে পরিবহন করে।
  • ওয়েবক্যাম থেকে ভিডিও ফুটেজ নিয়ে কাজ করে। মাইক্রোফোন থেকে অডিও রেকর্ড করতে পারে।
  • অডিও এবং ভিডিওকে এভিআই, মোভ, এমপি৪, এমপি৩, ডাব্লিওএমএ ও অন্যান্য ফর্মেটে আপলোড করে।
  • ছবি ও অন্যান্য গ্রাফিক ফাইল যোগ করে।
  • ভিডিওর দিক পরিবর্তন করে। ভিডিওকে কাঁটা বা ক্রপ করে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিতে সাহায্য করে।
  • ১০০ টিরও বেশি স্টাইলিশ ট্রানজিশন ভিডিও ক্লিপ অথবা স্বতন্ত্র ফ্রেমে যোগ করতে পারে।
  • ভিডিও উজ্জ্বলতা, বৈসাদৃশ্য এবং অন্যান্য রঙ এর পরিবর্তনের মাধ্যমে ভিডিওর গুনগত মানের পরিবর্তন করতে পারে।
  • তীক্ষ্ণতা (Sharpness) সামঞ্জস্য রক্ষা করে।
  • ম্যাজিক ইনহেন্সের দ্বারা ভিডিওর মান স্বয়ংক্রিয়ভাবে উন্নত করতে সাহায্য করে।

এখানেই কি শেষ…? না এখনেই শেষ নয়। এছাড়া ভিডিওকে দিতে পারবেন স্পেশাল ইফেক্ট। যেমন: হলিউডের ম্যট্রিক্স-এর মত ইফেক্টের মজা নিতে পারবেন। এছাড়া স্ল মোশন, ক্রোমাকি তো থাকছেই।

পরিশেষে, আপনার মাস্টারপিসের এডিট শেষে যদি শেয়ার করতে চান। তবে সহজেই শেয়ার করতে পারেন ইউটিউব, ফেসবুক অথবা ভিমিওতে।

অন্যান্য তথ্য:

  • সাল:২০২০
  • সংস্করণ: ২১.০.০
  • সিস্টেম: উইন্ডোজ এক্সপি / ভিস্তা /৭ /৮ /৮.১ /১০
  • ধরন: রার
  • আকার: ১৭৪ এমবি
  • পাসওয়ার্ড: portablesoftwarebd.com

Shotcut 20.09.27 Portable । শটকাট ২০.০৯.২৭ পোর্টেবল

শটকাট একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স ভিডিও এডিটর। যা একশতেরও বেশি অডিও এবং ভিডিও ফরমেট সাপোর্ট করে। এই সফটওয়্যারের দ্বারা একসাথে একাধিক প্যানেলে কাজ করা যায়। কাজের সুবিধার জন্য আনলক, স্থানান্তর অথবা ডক আকারে সাজানো যায়। এছাড়া কাজের জন্য ভিডিও বা অন্য ফাইলগুলোকে টেনে এনে ছেড়ে দিন। এভাবে ফাইলসমূহকে ইমপোর্ট করা যাবে।

      বলা যায় শটকাট একটি ভদ্র সফটওয়্যার। এর ইন্টারফেস নতুনদেরকে মুগ্ধ করবে। এর ইনটেলিজেন্ট ডিজান এর ব্যবহারকে করেছে সহজ আর উপভোগ্য। যারা ভিডিও এডিটিং অথবা ইউটিউব চ্যানেল শুরু করতে চায়, তাদের জন্য সম্ভাবনা দ্বার হতে পারে এটি।

     এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতের জন্য সদূরপ্রসারি রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। এর মধ্য প্রাথমিকভাবে মার্কার, আনডো/রিডো, অডিওর গোলমাল হ্রাস করার কাজ চলমান আছে। তারা সম্প্রতি কমান্ডের শর্টকাট এবং স্বয়ংক্রিয় পিচ সংশোধনের জন্য পিচ শোধন যুক্ত করেছে।

     এটি একটি লাইটওয়েট প্রোগ্রাম। এমনকি এটি ৩২-বিট সিস্টেমেও চলতে পারে। নূন্যতম দুই জিবি র‌্যাম হলেই প্রোগ্রামটি চালানো যাবে। তবে আট জিবিতে চালানোর পক্ষপাতি।

      উইনডো ডক আকারে থাকায় দেখতে পরিচ্ছন্ন লাগে। এর অনন্য ফিচারের একটি হলো এটি এর পূর্বতন কাজের বিস্তারিত বিবরণ সংরক্ষন করে। এর প্যানেলগুলো গ্রিড আকারে থাকে। যা এর প্রফেশনাল লুক নিশ্চিত করে।

      ফাইলকে যেকোনো ডিরেক্টরি থেকে আনয়ন করে কাজ করে। এক্ষেত্রে ড্রাগ এন্ড ড্রপ এর কথা উলেখ্য। এ প্রক্রিয়ায় ফাইলটিকে কার্সর ধরে টেনে এনে এডিটরের উপর ছেড়ে দিতে হয়।

      এখানে অডিও ফাইলকে বিভিন্নভাবে এডিট করা যায়। বিভিন্ন রকমের ফিল্টার, ব্যলেন্স, পিচ এবং কম্পেসরসহ আরও অনেক ফিচারতো থাকছেই। যেকোনো স্থানের অডিও এডিট করা যায়। খেয়াল খুশিমত অডিওর ভলিওম বাড়িয়ে অথবা কমিয়ে দেয়া যায়।

      ভিডিওর ক্ষেত্রে সাদার ভারসাম্য রক্ষার জন্য আইড্রপারের কথা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ট্রানজিসন, গ্রেডিয়ান্ট ইমেজ, বার্নডোর এর মতো এফেক্টও থাকছে। এছাড়া ভিডিওর গতি কমানো কিংবা বাড়ানো যায়।

অন্যান্য তথ্য:
  • সাল:২০২০
  • সংস্করণ: ২০.০৯.২৭
  • সিস্টেম: উইন্ডোজ এক্সপি / ভিস্তা /৭ /৮ /৮.১ /১০
  • ধরন: রার
  • আকার: ১৭৬ এমবি
  • পাসওয়ার্ড: portablesoftwarebd.com

Opera 72.0.3815.148 Portable । ওপেরা ৭২.০.৩৮১৫.১৪৮ পোর্টেবল

ওপেরা একটি নিরাপদ ওয়েব ব্রাউজার। এটি খুব দ্রুত এবং অসাধারণ ফিচার সমৃদ্ধ। এর অন্যান্য ফিচারগুলোর মঝে একটি হলো স্পিড ডায়াল। যা অপেরাকে টার্বো মোডে রাখে। এটি দেখতে সুন্দর এবং দ্রুত ন্যাভিগেশনের কাজ করে।
   একটি ওয়েব ব্রাউজারের যা যা গুন থাকা প্রয়োজন তার কি নেই ওপেরাতে? এর প্রথম পেজেই রয়েছে সংবাদের ব্যবস্থা। দেশ আর ভাষা নির্বাচন করে দিলেই দেখা যাবে নতুন নতুন খবরা-খবর। এর স্পিড ডায়াল এবং বুকমার্ক পরিবর্তন করার ব্যবস্থা রয়েছে। এখনে ব্যবহারকারী তার সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং পছন্দকরা ওয়েব পেইজগুলো দেখতে পায়।

   মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • স্লিক ইন্টারফেস
  • ডাউনলোড ম্যানেজার
  • কাস্টমাইজযোগ্য থিম
  • এক্সটেনশন
  • স্পিড ডায়াল
  • ব্যক্তিগত ব্রাউজিং মোড
  • তাজা খবর সামগ্রী সরবরাহ
  • ফ্রি ভিপিএন
  • বিজ্ঞাপন প্রতিরোধক
  • ক্রিপ্টো ওয়ালেট
  • ঘটনাচক্র
  অপেরাতে আছে একটি সুসংহত অনুসন্ধান এবং নেভিগেশন ফাংশন। যা একে অন্য সকল প্রতিদন্ধী থেকে আলাদা করে। ওপেরা ব্রাউজারের উপরের দিকে অনুসন্ধান এবং নেভিগেশন উভয়ের জন্য একটি একক বার দেখা যায়। এটি উইন্ডোটিকে নিরবচ্ছিন্ন রাখে এবং কাজে দ্রুতগতি প্রদান করে।
   দুর্দান্ত ডিজাইন এবং অসাধারণ পারফরমেন্সের জন্য ওপেরা একটি অনবদ্য ব্রাউজার। এটি একধারে সেমন সহজ তেমনি ব্যবহারিক। এর কীবোর্ড শর্টকাটগুলি অন্যান্য ব্রাউজারের মতোই তাই সহজেই ব্যবহার করা যায়। থিমগুলি সহ অপেরাকে কাস্টমাইজ করা যায়। আপনি যদি গতানুগতিক ব্রাউজারের বিকল্প কিছু চিন্তা করেন। তবে, অপেরা হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ।

   অন্যান্য তথ্য:

  • সাল:২০২০
  • সংস্করণ: ৭২.০.৩৮১৫.১৪৮
  • সিস্টেম: উইন্ডোজ এক্সপি / ভিস্তা /৭ /৮ /৮.১ /১০
  • ধরন: জিপ
  • আকার: ৮৫ এমবি
  • পাসওয়ার্ড: portablesoftwarebd.com

 

Adobe Photoshop LightRoom 5.5.32 Portable ।এডোব ফটোশপ লাইটরোম ৫.৫.৩২ পোর্টেবল

*লাইটরোম বা এডোব ফটোশপ লাইটরোম, এডোব ক্রিয়েটিভ ক্লাউডে সংযুক্ত একটি পোস্ট-প্রসেসিং সফটওয়্যার। এছাড়া একে এডোব সিসি থেকে আলাদা ভাবেও ইনস্টল করা যায়। লাইটরোম মূলত ব্যবহৃত হয় র(RAW) ইমেজ প্রসেস করার কাজে। যা ডিজিটাল নেগেটিভ নামে পরিচিত। লাইটরোম এসব ফাইলকে বিভিন্ন গ্রাফিক ইমেজ যেমন: জেপিইজি, জেপিজি, পিএনজি ইত্যাদিতে রূপান্তর করে। এক্ষেত্রে ইমেজ এর উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, ঈষৎ রঞ্জিত করা অথবা এক্সপোজারে সমতা অনতে কাজ করে। ব্যবহারকারী চাইলে এই কম্ভিনেশনকে লাইটরোম প্রিসেট হিসেবে সেব করে রাখতে পারে।
লাইটরোম নিয়ে যারা নতুন কাজ করে তারা প্রায়সই ‍দ্বিধা-দন্ধে যে, লাইটরোম আর ফটোশপের মধ্যে পার্থক্য কি? ইমেজ রিটাচ বা পূননির্মাণে লাইটরোম নি:স্বন্ধেহে বেস্ট চয়েস। লাইটরোম ইমেজ রিটাচের সকল টুল বা সরঞ্জাম সরবরাহ করে। এর মধ্যে সাদার ভারসাম্য, হিস্টোগ্রাম সমন্বয়, টোনাল বক্ররেখা, দোষ দূর করা, লাল চোখের সংশোধন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লাইটরোমের কাজের শেষে আরও উন্নত সম্পাদনা বা পুনর্নির্মাণের কাজের জন্য ফটোশপ প্রয়োজন।
লাইটরোমের কন্ট্রোল প্যানেল আকারে সজ্জিত থাকে। যেখানে প্যানেলের সংকোচন ও প্রসারনের সাথে প্রোফাইল, হালকা, রঙ, প্রভাব, বিশদ, অপটিক্স এবং জ্যামিতির নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা থাকে। বেশিরভাগ কন্ট্রোল(নিয়ন্ত্রন) স্লাইডার। এরা স্লাইডারটিকে বাম বা ডানে ক্লিক করে এবং টেনে ইমেজের সামগ্রিক চেহারা পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। আপনার কাজ শেষ হয়ে গেলে আপনি টুলবারের মূল প্রদর্শন আইকনটি ক্লিক করে মূল চিত্রটির সাথে চূড়ান্ত ফাইলটির তুলনা করতে পারেন।
প্রিসেটগুলি ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত ফিল্টারগুলির সমান। পার্থক্যটি হল প্রিসেটগুলি স্ক্র্যাচ থেকে তৈরি করা হয়েছে, আপনাকে আপনার সমস্ত চিত্রগুলিতে অনন্য সব ফিল্টার প্রয়োগ করতে সাহায্য করে। আপনি প্রিসেটস প্যানেলের শীর্ষে তিনটি বিন্দু ‍সিলেক্ট(নির্বাচন) করে সেগুলি সংরক্ষণ করতে পারেন। প্রিসেটগুলি সংরক্ষণ করার সময়, ফাইলের নামটি এর স্টাইল বা প্রকৃতির কথা মনে রাখা ভালো।
লাইটরুম এবং ফটোশপ উভয়ই একে অপরের ফাইল খুলতে পারে। এডিট শেষে অন্যান্য চিত্র বা গ্রাফিক্সের সাথে মিশ্রিত করার পাশাপাশি অযাচিত উপাদানগুলি অপসারণের জন্য এটি প্রয়োজনীয়। ফটোশপে কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সম্পাদিত ছবিটি তার পূর্বের রূপসহ লাইটরুমে চলে আসে। লাইটরুম ফটো ট্যাবে অ্যাক্সেস করতে কন্ট্রোল + এফ টিপতে পারেন। একবার আপনি প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করে নিলে ফাইলটি আপনার স্থানীয় ড্রাইভে সংরক্ষণ করুন।

অন্যান্য তথ্য:

  • সাল:২০২০
  • সংস্করণ: ৫.৫­_৩২
  • সিস্টেম: উইন্ডোজ এক্সপি / ভিস্তা /৭ /৮ /৮.১ /১০
  • ধরন: রার
  • আকার: ৬৮ এমবি
  • পাসওয়ার্ড: portablesoftwarebd.com

CareUEyes 2.0.0.4 Portable । কেয়ারইউআইস ২.০.০.৪ পোর্টেবল

কেয়ার ইউ আইস পোর্টেবল একটি ছোট সফটওয়্যার। সাইজ ছোট হলেও এর কাজ এক কথায় অনবদ্ধ। যেসকল মানুষ অধিকাংশ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে কাটান, তাদের কথা চিন্তা করেই এই সফটওয়্যারটি বানানো হয়েছে।

কেয়ারইউআইস এর দুটি প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হচ্ছে ব্লু-লাইট ফিল্টার এবং কিছুক্ষন পর-পর বিরতির জন্য মনে করিয়ে দেয়া। এ দুটির সমন্বয় অতিরিক্ত কম্পিউটার ব্যবহারে সৃষ্ট চোখের স্টেইন কমিয়ে চোখকে আরাম দেয়। বিনা বিরতিতে দীর্ঘক্ষন কম্পিউটার ব্যবহার করা ঠিক নয়, এক্ষেত্রে কেয়ারইউআইস গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে পারে।

এ সফটওয়্যারের নীল আলোর(Blue-Light) ফিল্টার এবং স্ক্রিন ডিমার অনেক ভালো কাজ করে। এটি সক্রিয় ভাবে সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে পারে। এটা সাধারণত ডিসপ্লের গামা রশ্মির মান পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এছাড়া এর নীল আলোর অংশ কাজ করে আরজিবি(RGB) স্পেক্ট্রাম পরিবর্তনের মাধ্যমে। এটা দিনের সময়ও আলো কমিয়ে রাতের অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে ডিসপ্লের চকচকে ভাবটা দূর হয়ে যায় এবং চোখকে অধিক সময় কাজ করতে সাহায্য করে।

এর টাইম টোকেনের সাহায্যে এটি প্রতি ৪৫ মিনিট পর পর ৩ মিনিট বিরতিতে যেতে সাহায্য করে। এসময় স্ক্রিন লক করার ৩০ সেকেন্ড পূর্বে ব্যবহারকারীকে সংকেত প্রদান করে। ব্যবহারকারী চাইলে কাজের ধারাবহিকতা বজায় রাখতে ৫ মিনিট করে ৩ বার স্নুজড(snoozed) করে রাখতে পারে।

চিন্তার কিছু নেই এর আছে অ্যরে অপশন। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চাইলে কাজের সময় নির্ধারণ এবং বিরতির সময় নির্দিষ্ট করতে পরে। যেমন: কখন বিরতি নেবে কিংবা কত সময় ধরে বিরতি নেবে। তাছাড়া, ঔ একই অপশন ব্যবহার করে নীল আলোর প্রকৃতি পরিবর্তন করতে পারেন। এক্ষেত্রে পাঁচটি অলাদা পূর্ব নির্ধারিত অপশন পাবেন। এর মাধ্যমে আবহাওয়া অনুযায়ী কালার টেম্পারেচার(তাপমাত্রা) নির্ধারণ করা যায়। আবার কাস্টম অপশন ব্যবহার করে প্রয়োজনমত আলোও ব্যবহার করা যায়।

   ফিচারসমূহ:

  • চকচকে পর্দা থেকে চোখকে রক্ষা করে।
  • নীল আলো নিয়ন্ত্রন করে।
  • বিরতির সময় নির্ধারন এবং লক স্ক্রিনের মাধ্যমে নিশ্চিত করনে সহায়তা করে।
  • ব্যবহারকারীকে কর্মদক্ষ করে তোলে এবং স্বাস্থ্য সচেতনতায় ভূমিকা রাখে।

অন্যান্য তথ্য:

  • সাল:২০২০
  • সংস্করণ:২.০.০.৪
  • সিস্টেম:উইন্ডোজ এক্সপি/ ভিস্তা/৭/৮/৮.১/১০
  • ধরন:রার
  • আকার:১২ এমবি
  • পাসওয়ার্ড: portablesoftwarebd.com

 Inkscape 1.0.1 Portable । ইন্কস্কেপ ১.০.১ পোর্টেবল

ইন্কস্কেপ পোর্টেবল একটি ফ্রি এবং ওপেনসোর্স প্রোগ্রাম। এটি একটি ভেক্টর গ্রাফিক্স এডিটর। এটি স্কেলেবল ভেক্টর গ্রাফিক্স (এসভিজি) নিয়ে কাজ করে। তবে অন্যান্য ফর্মেট ইমপোর্ট এবং কাজ শেষে এক্সপোর্ট করা যায়। ইন্কস্কেপ আদিম ভেক্টর আকারগুলি (যেমন আয়তক্ষেত্র, উপবৃত্তাকার, বহুভুজ, আরকস, সর্পিলস, তারা এবং ৩ ডি বাক্স) এবং পাঠ্য রেন্ডার করতে পারে। এই বস্তুগুলি শক্ত রঙ, নিদর্শন, রেডিয়াল বা লিনিয়ার, কালার গ্রেডিয়েন্টে পূর্ণ হতে পারে এবং তাদের সীমানা স্ট্রোক করা যেতে পারে।  রাস্টার গ্রাফিক্সের এম্বেডিং (যেমন জেপিইজি, পিএনজি, টিআইএফএফ এবং অন্যান্য) এবং ইচ্ছে মত ট্রেসিং করা যায়। আকারগুলি মুভিং, আবর্তন, স্কেলিং এবং স্কিউংয়ের মতো পরিবর্তন আনয়ন করা যায় ইন্কস্কেপ পোর্টেবলের মাধ্যমে।

ফিচারসমূহ:

  • ক্রিয়েটিভ কমন্স মেটাডেটা সমর্থন করে।
  • আলফা চ্যানেল, রূপান্তরকরণ, গ্রেডিয়েন্টস, টেক্সচার এবং গোষ্ঠীকরণের মতো এসভিজি ফাংশনগুলির ব্যবহার করা যায়।
  • আকার, পথ, পাঠ্য, চিহ্নিতকারী ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে।
  • নোডগুলি সম্পাদন করতে পারে।
  • পার্ল, পাইথন এবং রুবিতে লিখিত স্ক্রিপ্টগুলি ব্যবহার করতে সক্ষম।
  • লেয়ার নিয়ে কাজ করে।
  • রূপরেখা সহ জটিল কাজগুলো করার সক্ষমতা রয়েছে।
  • রাস্টার গ্রাফিক্সকে ভেক্টরে রূপান্তর করতে পারে।
  • এক্সএমএল ডেটা সরাসরি সম্পাদন করতে পারে।
  • জেপিজি, পিএনজি, টিআইএফএফ ইত্যাদিতে ফাইল আমদানি অর্থাত ইমপোর্ট করতে পারে।
  • পক্ষান্তরে কিছু ভেক্টর ফর্মেটের পাশা-পাশি পিএনজি ফর্ম্যাটে ফাইলগুলিকে রফতানি বা এক্সপোর্ট করতে পারে।
  • নিজস্ব রেন্ডার এঞ্জিন আছে।
  • হটকি সমর্থন করে।

এছাড়া একে এডোভ ইলাস্ট্রেটরের সেরা বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এটি ভেক্টর গ্রাফিক্সের জন্য সেরা ফ্রি সফটওয়্যার।

কিছু তথ্য:

  • প্রাথমিক প্রকাশ: ২রা নভেম্বর ২০০৩
  • সি+ +, জিটিকিএমএম, পাইথন (এক্সটেনশনগুলি) দিয়ে লেখা হয়েছে
  • প্রোগ্রাম টাইপ: ভেক্টর গ্রাফিক্স সম্পাদক
  • লাইসেন্স: জিপিএলভি ৩+
  • ওয়েবসাইট: inkscape.org

অন্যান্য তথ্য:

  • সাল: ২০২০
  • সংস্করণ: ১.০.১
  • সিস্টেম: উইন্ডোজ এক্সপি / ভিস্তা /৭ /৮ /৮.১ /১০
  • ধরন: রার
  • আকার: ১১৮ এমবি
  • পাসওয়ার্ড: portablesoftwarebd.com